![]() |
| চিত্রশিল্পী হিসেবে সুনয়নী দেবীর অবদান আলোচনা করো। |
সূচনা
নিজস্বতার সন্ধান
তিনি রবীন্দ্রনাথের মতোই স্বশিক্ষিত শিল্পী ছিলেন। বাড়ির পরিমণ্ডলে ছিল শিল্পচর্চার আবহ, তাই দাদাদের দেখতে দেখতে তিনিও কখন যেন অজান্তে নিজেকে চিত্রচর্চার বন্ধনে আবদ্ধ করে ফেলেছিলেন। দাদা অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে যখন নব্যবঙ্গীয় চিত্ররীতির জনক বলে ধরা হচ্ছে, তিনি যখন ভারতীয় ধ্রুপদি শিল্পের পুনর্জাগরণ ঘটাচ্ছেন; তখন সুনয়নী সেপথে না-গিয়ে বাংলায় লৌকিক শিল্পের কাছে নিজের অনুপ্রেরণা খুঁজতে ব্যস্ত।
অবদান
তাঁর ছবির দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় স্বদেশিয়ানা ও স্বাজাত্যাভিমান। সুনয়নী দেবী মূলত জলরঙের ব্যবহার করে কৃষ্ণলীলা ও রামায়ণ-মহাভারতের চরিত্রগুলিকেই জীবন্ত করে তোলেন। তাঁর বিখ্যাত চরিত্র চিত্রগুলি হল- ‘মা যশোদা’, ‘বাউল’ ও ‘নেপথ্যে’। পরবর্তীতে লৌকিক চিত্রকলাকে অধিকৃত করে নিজস্ব চিত্রচর্চার অংশ করে তোলার এই প্রয়াস লক্ষ করা গিয়েছিল যামিনী রায়ের চিত্রচর্চায়।
📚 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্টদের জন্য দারুণ সুযোগ!
আপনি কি কম সময়ে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করতে চান?
পরীক্ষার আগে রিভিশন করতে সমস্যা হচ্ছে?
👉 তাহলে এখনই নিয়ে নিন আমাদের Complete PDF eBook Package
✨ এই eBook-এ যা পাচ্ছেন:
✔ সহজ ভাষায় পুরো সিলেবাস
✔ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
✔ পরীক্ষার জন্য সাজানো নোটস
✔ শর্ট টেকনিক ও সাজেশন
🎯 কার জন্য উপযোগী?
👉 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রী
👉 বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা
💡 মোবাইলেই পড়ুন, যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়!
🔥 মাত্র ৩৯ টাকা প্রতিটা সাবজেক্ট
