![]() |
| ‘পট’ শব্দটির অর্থ কী? বাংলার লোকশিল্প হিসেবে পটশিল্পের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। |
‘পট’ তৈরির কৌশল
বাংলার চিত্রকলার ইতিহাসে পটচিত্র বা পটশিল্পের অস্তিত্ব ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হতে থাকলেও তা এখনও বেঁচে আছে। প্রাচীন বাংলার লোকসংস্কৃতির অন্যতম মাধ্যম হল এই পটচিত্র। কাপড়ের ওপর কাদামাটি বা গোবরের সঙ্গে আঠা দিয়ে জমিন তৈরি করে পট আঁকা হত।
পটচিত্রের ঐতিহাসিকতা ও উত্তরাধিকার
সুপ্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যে এই চিত্র ও এর শিল্পীদের উল্লেখ পাওয়া যায়। বৈদিক এবং বৌদ্ধ গ্রন্থেও এই চিত্রের উল্লেখ আছে। বৌদ্ধ ভিক্ষুকরা বুদ্ধের জীবনী ও জাতকের গল্প ইত্যাদি নিয়ে নির্মিত ‘পট’ প্রদর্শন করত। সপ্তম শতাব্দীর ‘হর্ষচরিত’-এ পটুয়াদের কথা আছে। ষোড়শ শতাব্দীতে পটচিত্রের সাহায্যে চৈতন্য বাণী প্রচারিত হত। মুকুন্দরামের কাব্যেও এর উল্লেখ আছে। পনেরো শতকে গাজীর পট প্রদর্শিত হত। ইসলাম ধর্মের প্রচারার্থেও মুসলিম শাসকেরা পটুয়াদের সাহায্য নিয়েছিলেন।
পটচিত্রের বৈচিত্র্য -বিশেষত্ব ও আন্তর্জাতিকতা
পশ্চিমবঙ্গে পটচিত্রীদের দুটি ঘরানা-একটি তমলুক-কালীঘাট-ত্রিবেণী সামাজিক শৈলী। অন্যটি বীরভূম-কান্দি-কাটোয়া সামাজিক শৈলী। ক্যানভাসকে কোনো একটি দন্ডের মধ্যে গুটিয়ে কাহিনির পারম্পর্য রক্ষা করে পটুয়ারা ছবি আঁকেন যাতে নিটোল কাহিনি প্রকাশ পায়। বেদে সম্প্রদায়ের লোকেরা এই ছবিগুলি দেখিয়ে তার সঙ্গে সঙ্গে সুর করে গান গেয়ে থাকে। গানের বিষয় হয় রামায়ণ, চণ্ডীলীলা, মহাভারত, পদ্মপুরাণ, মনসামঙ্গল ইত্যাদি। শহর কলকাতায় বিভিন্ন মেলায় এখনও এদের দেখা মেলে। তবে উনিশ শতকে বিশেষ প্রসিদ্ধি পেয়েছিল কালীঘাটের পট। সমাজ-সমালোচনাকে বিষয়ে পরিণত করে এই পট খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। পাবলো পিকাসো ও ফার্নান্দ লেজ-এর মতো চিত্রকর কালীঘাটের পটের গুণগ্রাহী ছিলেন।
📚 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্টদের জন্য দারুণ সুযোগ!
আপনি কি কম সময়ে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করতে চান?
পরীক্ষার আগে রিভিশন করতে সমস্যা হচ্ছে?
👉 তাহলে এখনই নিয়ে নিন আমাদের Complete PDF eBook Package
✨ এই eBook-এ যা পাচ্ছেন:
✔ সহজ ভাষায় পুরো সিলেবাস
✔ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
✔ পরীক্ষার জন্য সাজানো নোটস
✔ শর্ট টেকনিক ও সাজেশন
🎯 কার জন্য উপযোগী?
👉 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রী
👉 বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা
💡 মোবাইলেই পড়ুন, যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়!
🔥 মাত্র ৩৯ টাকা প্রতিটা সাবজেক্ট
