Madhyamik Bengali Suggestion 2025-2026

জ্ঞানচক্ষু গল্পের সাজেশন
[প্রশ্নমান ৫]
১। জ্ঞানচক্ষু গল্পের তপনের জ্ঞানচক্ষু দুইভাবে উন্মোচিত হয়েছে তা আলোচনা করো।
২। আশাপূর্ণা দেবীর লেখা জ্ঞানচক্ষু ছোটগল্প হিসেবে কতখানি সার্থক তা আলোচনা করো।
৩। তপনের ছোট মাসির চরিত্র আলোচনা করো।
৪। জ্ঞানচক্ষু গল্পের তপনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
৫। আশাপূর্ণা দেবীর জ্ঞানচক্ষু গল্পের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।
৬। “তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন।” —কোন দিন তপনের এমন মনে হয়েছিল? তার এমন মনে হওয়ার কারণ কী?
অথবা, “আজ তার জীবনের দুঃখের দিন” —দিনটি কিভাবে বক্তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন হয়ে উঠলো?
অথবা, “গল্প ছাপা হলে যে ভয়ংকর আল্লাহটা হবার কথা’ সে আহ্লাদ খুজে পায় না”— এইরকম কেন হল তপনের?
অসুখী একজন
[প্রশ্নমান ৫]
১. “তারপর যুদ্ধ এলো”—যুদ্ধের যে ভয়াবহ বিবরণ ও তার মর্মান্তিক পরিণতি কবিতায় চিত্রিত হয়েছে তা আলোচনা করো।
২. কবিতাটিকে কেন একটি যুদ্ধবিরোধী কবিতা বলা যায়—বিশ্লেষণ করো।
[প্রশ্নমান ৩]
৩. “বছরগুলোকে পরপর পাথরের মতো” বলা হয়েছে কেন?
৪. যুদ্ধকে “রক্তের এক আগ্নেয় পাহাড়” বলা হয়েছে কেন?
৫. “সেই মেয়েটির মৃত্যু হলো না”—কোন মেয়েটির? তার মৃত্যু হলো না কেন?
৬. “তারা আর স্বপ্ন দেখতে পারলো না”—উক্ত অংশটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
৭. “শান্ত হল দেবতারা”—দেবতাদের “শান্ত হলুদ” বলা হয়েছে কেন?
৮. “শিশু আর বাড়িরা খুন হল”—শিশু ও বাড়ি কীভাবে খুন হলো?
৯. “সব চূর্ণ হয়ে গেল, জ্বলে গেল আগুনে”—এখানে কোন কোন জিনিসের ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে? এই ভয়াবহ পরিণতির মূল কারণ কী?
আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি
[প্রশ্নমান ৫]
১। শঙ্খ ঘোষের “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” কবিতার মূল বক্তব্য সংক্ষেপে আলোচনা করো।
২। ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।
৩। ‘আমাদের পথ নেই আর’ —কাদের পথ নেই? পথ নেই কেন? এই অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে কোন ব্যবস্থার কথা বলেছেন কবি?
আফ্রিকা
[প্রশ্নমান ৩]
১। ‘হায় ছায়াবৃতা’— ছায়াবৃতা কে? তাকে ছায়াবৃতা বলার কারণ কী?
২। ‘নখ যাদের তীক্ষ্ণ তোমার নেকড়ের চেয়ে’— যাদের বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে? তাদের নখ নেকড়ের চেয়ে তীক্ষ্ণ বলার কারণ কী?
৩। ‘সভ্যের বর্বর লোভ নগ্ন করলো আপন নির্লজ্জতা অমানুষতা’— মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
৪। ‘দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে’— মানহারা মানবী কে? তাকে মানহারা বলা হয়েছে কেন?
৫। ‘আজ যখন পশ্চিম দিগন্তে’— কবি পশ্চিম দিগন্তে বলতে কোন স্থানের কথা বলেছেন? সেখানে তখন কী ঘটেছিল বলে ইঙ্গিত করেছেন?
৬। ‘বলো, ক্ষমা করো’— কে কাকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন? কেন বলেছেন?
৭। ‘এসো যুগান্তের কবি’— কবি যুগান্তের কবিকে আহবান করেছেন কেন? যুগান্তের কবি কী করবেন?
৮। “সমুদ্র পারে সেই মুহূর্তে”— ‘সমুদ্র পারে’ বলতে কোথাকার কথা বলা হয়েছে? সেখানে সেই মুহূর্তে কী হচ্ছিল?
৯। “ছিনিয়ে নিয়ে গেল তোমাকে আফ্রিকা”— কে, কাকে কিভাবে ছিনিয়ে নিয়ে গেল?
১০। “পশুরা বেরিয়ে এল”— কোথা থেকে পশুরা বেরিয়ে এল? বেরিয়ে এসে তারা কী করলো?
অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান
[প্রশ্নমান ৫]
1. জয় গোস্বামীর অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতায় যুদ্ধবিরোধী মনোভাবের যে প্রকাশ পেয়েছে তা নিজের ভাষায় লেখো।
2. “তোমায় নিয়ে বেড়াবে গান নদীতে দেশে গাঁয়ে”— কার লেখা, কোন কবিতার অংশ? প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বক্তব্যটি তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
[প্রশ্নমান ৩]
1. “গানের বর্ম আজ পড়েছি গায়ে”— কথাটির অর্থ কী?
2. “রক্ত মুছি শুধু গানের গায়ে”— এর অর্থ কী?
3. “মাথায় কত শকুন বা চিল”— কথাটির তাৎপর্য লেখো।
4. “গান দাঁড়ালো ঋষি বালক”— উক্তিটি তাৎপর্য লেখো।
নদীর বিদ্রোহ
[প্রশ্নমান ৩]
1. “ত্রিশ বছর বয়সে নদীর জন্য নদেরচাঁদের এতো বেশি মায়া একটু অস্বাভাবিক”— এত বেশি মায়া বলার কারণ কী? সেই মায়াকে অস্বাভাবিক বলা হয়েছে কেন?
2. ” নদেরচাঁদ সব বোঝে, নিজেকে কেবল বুঝাইতে পারে না”— নদেরচাঁদ কী বোঝে? সে নিজেকে বোঝাতে পারে না কেন?
3. “নিজের এই পাগলামিতে যেন আনন্দই উপভোগ করে”— কার কথা বলা হয়েছে? তার পাগলামিটি কী?
4. “নদীকে এভাবে ভালোবাসিবার একটি কৈফিয়ৎ নদেরচাঁদ দিতে পারে”— কৈফিয়ৎটি কী?
5. “নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে”— কে বুঝতে পেরেছে? নদীর বিদ্রোহ বলতে সে কী বোঝাতে চেয়েছে?
সিরাজউদ্দৌলা
[প্রশ্নমান ৪]
1. “কিন্তু ভদ্রতার অযোগ্য তোমরা”— কাকে উদ্দেশ্য করে এই কথাটি বলা হয়েছিল? এ কথা বলার কারণ কী?
2. “মুন্সীজি এই পত্রের মর্ম সভাসদদের বুঝিয়ে দিন”— কে কাকে এই পত্র লিখেছিলেন? এই পত্রে কী লেখা ছিল?
3. “এই মুহূর্তে তুমি আমার দরবার ত্যাগ করো”— বক্তা কাকে দরবার ত্যাগ করতে বলেছেন? তাকে দরবার ত্যাগ করতে বলার কারণ কী?
4. “তোমাদের কাছে আমি লজ্জিত”— কে, কার কাছে লজ্জিত? তার লজ্জিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।
5. “আমার এই অক্ষমতার জন্য তোমরা আমাকে ক্ষমা করো”— কে, কেন ক্ষমা চেয়েছে তা বিশ্লেষণ করোও।
6. “দরবার ত্যাগ করতে আমরা বাধ্য হচ্ছি”— তারা কেন বারবার ত্যাগ করতে চাইছে?
7. “আজ বিচারের দিন নয়, সৌহার্দ্য স্থাপনের দিন”— কার উক্তি? উক্তিটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
8. “বাংলার এই দুর্দিনে আমাকে ত্যাগ করবেন না”— কাদের উদ্দেশ্যে এই কথা বলা হয়েছে? কোন দুর্দিনের জন্য তার এই আবেদন?
9. “বাংলার মান, বাংলার মর্যাদা, বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়াসে আপনারা আপনাদের শক্তি দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে সর্বরকমে আমাকে সাহায্য করুন”— সিরাজ কাদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন? কেন তিনি সাহায্যে প্রত্যাশী হয়েছিলেন?
10. “বাংলা শুধু হিন্দুর নয়, বাংলা শুধু মুসলমানের নয়”— মিলিত হিন্দু মুসলমানের মাতৃভূমি গুলবাগ এই বাংলা”— কাদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলা হয়েছে? এই বক্তব্যটির মধ্য দিয়ে বক্তার কি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে?
11. ” বাংলার ভাগ্যাকাশে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা, তার শ্যামল প্রান্তে আজ রক্তের আলপনা”— বক্তা কে? কোন দুর্যোগের কথা বলা হয়েছে?
12. “জাতির সৌভাগ্য সূর্য আজ অস্তাচলগামী”— কোন জাতির কথা বলা হয়েছে? তার সৌভাগ্য সূর্য আজ অস্তাচলগামী বলার কারণ কী?
13. “ওখানে কী দেখচ মূর্খ, বিবেকের দিকে চেয়ে দ্যাখো”— বক্তা কে? উদ্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি বক্তার কী মনোভাব লক্ষ্য করা যায়?
14. “আমার রাজ্য নাই, তাই আমার কাছে রাজনীতিও নাই, আছে শুধু প্রতিহিংসা”— কে, কাকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছে? বক্তার প্রতিহিংসার বিষয়টি বুঝিয়ে দাও।
15. ” ওকে ওর প্রাসাদে পাঠিয়ে দিন জাঁহাপনা। ওর সঙ্গে থাকতে আমার ভয় হয়”— বক্তা কে? তার এরকম ভয় হওয়ার কারণ কী?
16. “এইবার হয়তো শেষ যুদ্ধ”— কোন যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে? বক্তা এই যুদ্ধকে শেষ যুদ্ধ বলেছেন কেন?
17. ” জানিনা আজ কার রক্ত সে চায়”— বক্তা কে? বক্তার এমন মন্তব্যের কারণ কী?
18. ‘সিরাজউদ্দৌলা‘ নাট্যাংশ অবলম্বনে সিরাজদৌলার চরিত্র বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
Read More : Madhyamik Suggestion 2025-2026