![]() |
| ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য পুনর্গঠনের উদ্যোগ ও বিতর্ক |
ভূমিকা
ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের পটভূমি
১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশন এবং ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় কংগ্রেসের নাগপুর অধিবেশনে ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
৫১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে নেহরু কমিটির রিপোর্টে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যগুলিকে ভাগ করার কথা অনুমোদিত হয়।
দর কমিশন
দর কমিশনের রিপোর্ট
[1] ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য গঠন করা হলে জাতীয় ঐক্য নষ্ট হতে পারে।
[2] প্রশাসনিক দিক থেকেও তা হবে অসুবিধাজনক।
[3] এমনকি প্রাদেশিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
📚 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্টদের জন্য দারুণ সুযোগ!
আপনি কি কম সময়ে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করতে চান?
পরীক্ষার আগে রিভিশন করতে সমস্যা হচ্ছে?
👉 তাহলে এখনই নিয়ে নিন আমাদের Complete PDF eBook Package
✨ এই eBook-এ যা পাচ্ছেন:
✔ সহজ ভাষায় পুরো সিলেবাস
✔ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
✔ পরীক্ষার জন্য সাজানো নোটস
✔ শর্ট টেকনিক ও সাজেশন
🎯 কার জন্য উপযোগী?
👉 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রী
👉 বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা
💡 মোবাইলেই পড়ুন, যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়!
🔥 মাত্র ৩৯ টাকা প্রতিটা সাবজেক্ট
গণপরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ
পরবর্তী পরিস্থিতি
জেভিপি (JVP) কমিটি
১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে জে ভি পি কমিটির রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।
জে ভিপি কমিটির রিপোর্টেও ভাষাভিত্তিক প্রদেশ গঠনের বিরোধিতা করা হয়। তবে বলা হয়, যেখানে জনগণের প্রবল চাপ থাকবে সেখানে ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠন করা যেতে পারে।
