হঠাৎ শিষ্য মর্দানার জল তেষ্টা পেল -তেষ্টা মেটানোর জন্য মর্দানাকে কী করতে হয়েছিল? তাঁর তেষ্টা শেষ অবধি কীভাবে মিটেছিল?

"হঠাৎ শিষ্য মর্দানার জল তেষ্টা পেল।"-তেষ্টা মেটানোর জন্য মর্দানাকে কী করতে হয়েছিল? তাঁর তেষ্টা শেষ অবধি কীভাবে মিটেছিল
“হঠাৎ শিষ্য মর্দানার জল তেষ্টা পেল।”-তেষ্টা মেটানোর জন্য মর্দানাকে কী করতে হয়েছিল? তাঁর তেষ্টা শেষ অবধি কীভাবে মিটেছিল?

মর্দানাকে যা যা করতে হয়েছিল

কর্তার সিং দুগ্‌গাল রচিত গল্পের বাংলা অনুবাদ ‘অলৌকিক’ গল্প থেকে উদ্ধৃতাংশটি নেওয়া হয়েছে। হাসান আব্দালের জঙ্গলে গুরু নানকের সঙ্গে চলতে চলতে তাঁর শিষ্য মর্দানা পরিশ্রমে, গরমে, জলপিপাসায় কাতর হয়ে বসে পড়ে। গুরু নানক ধ্যানের মাধ্যমে জেনে তাকে বলেন যে, পাহাড়ের চূড়ায় বলী কান্ধারী নামক দরবেশের কুটিরের কুয়োতে জল রয়েছে। গুরু নানকের কথামতো মর্দানা সেখানে যায়। বলী কান্ধারী মর্দানার পরিচয় জানতে চাইলে মর্দানা জানায় সে পীর নানকের সঙ্গী। এ কথা শুনে বলী তাকে জল না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। গুরু নানকের কাছে এসে মর্দানা এ কথা জানালে তিনি পুনরায় নানক দরবেশের অনুচর পরিচয়ে তাকে বলীর কাছে পাঠান। কিন্তু বলী এবারও মর্দানাকে তাড়িয়ে দেয়। মর্দানা তখন গুরু নানকের কাছে ফিরে এসে সব জানায়। এবার গুরু নানক ‘জয় নিরস্কার’ ধ্বনি উচ্চারণ করে মর্দানাকে পুনরায় বলীর কাছে পাঠান। গুরুর আদেশ অমান্য করতে না পেরে মর্দানা খুব কষ্ট করে বলীর কাছে পৌঁছে এবারেও জল পায় না। তারপর সে গুরু নানকের কাছে ফিরে প্রায় অজ্ঞান হয়ে যায়।

তেষ্টা যেভাবে মিটল

গুরু নানক যখন দেখলেন বলী কান্ধারীর কাছে গিয়ে মর্দানা বারবার জল না পেয়ে প্রায় মূর্ছিত হয়ে পড়েছে, তখন তিনি শান্ত স্বরে ‘জয় নিরঙ্কার’ ধ্বনি উচ্চারণ করে শিষ্যকে সস্নেহে ডেকে সামনের পাথরটা তুলতে বলেন। গুরুর কথামতো পাথরটা সরাতেই জলের ঝরনা বেরিয়ে আসে। এই জল পান করে মর্দানা তৃষ্ণা মেটায়।
আরও পড়ুন প্রয়োজনে
তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা মডেল প্রশ্নপত্র সেট ২ Click here
তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা মডেল প্রশ্নপত্র সেট ১ Click here
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 10 | Gyancokkhu Golper Question Answer Click here
Dharma Kobita Class 12 MCQ PDF | ধর্ম কবিতা প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় MCQ প্রশ্ন উত্তর PDF (HS 3rd Semester Exclusive Answer) Click here

Leave a Comment

ফ্রিতে মক টেস্ট দিতে এখানে ক্লিক করুন