![]() |
| স্বাধীন ভারত সরকার উদ্বাস্তু সমস্যার সমাধানে কী ধরনের উদ্যোগ নেয়? |
ভূমিকা
ভারত সরকারের উদ্যোগ
ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর
আশ্রয় শিবির: পাকিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুরা রেলস্টেশন, ফাঁকা জায়গায় থাকতে শুরু করে। সরকারি উদ্যোগে তাদের জন্য আশ্রয় শিবির (অস্থায়ী তাঁবু) তৈরি করা হয়। এই আশ্রয় শিবিরে থাকাকালীন সময়ে উদ্বাস্তুদের সরকারি কার্ড দেওয়া হয়। উদ্বাস্তুদের নাম, পরিচয় নথিভুক্ত করা এবং এখানে সরকারি খরচে উদ্বাস্তুদের খাদ্য সরবরাহ করা হয়। উদ্বাস্তুদের জন্য ছিল উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থাও।
গৃহ নির্মাণ: আশ্রয় শিবিরের নথিভুক্ত উদ্বাস্তুদের জন্য আবাসন প্রকল্প অনুযায়ী সরকারি জমিতে আবাসন তৈরি হয়। ফরিদাবাদ, কল্যাণী, দুর্গাপুর, অশোকনগর, সন্তোষপুর প্রভৃতি শহর গড়ে তোলা হয়। আবার ব্যক্তিগত উদ্যোগে গৃহনির্মাণের জন্য সরকারি অর্থসাহায্য বা ঋণদানও করা হয়। ইন্ডিয়ান কো-অপারেটিভ ইউনিয়ন আবাসন প্রকল্প চালু করে।
কর্মসংস্থান: সরকার নথিভুক্ত উদ্বাস্তুদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করে। যারা কারিগরি শ্রমিক ছিলেন তাদের শিল্পকারখানায় নিয়োগ করা হয়। তাদের জন্য নতুন ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প গড়ে তোলা হয়। যারা লেখাপড়া জানতেন, তাদের সরকারি আনুকূল্যে বিভিন্ন সরকারি চাকরি দেওয়া হয়। শিল্প ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন কলেজে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু হয়।
ব্যাবসাবাণিজ্যের জন্য উদ্বাস্তুদের কো-অপারেটিভ গঠন করে সরকারি ঋণ দেওয়া হয়। বিভিন্ন বাণিজ্য এলাকা গড়ে তোলে সরকার। জন বিনিময় ও সম্পত্তি বিনিময় ব্যবস্থার দ্বারা পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের (বিশেষত শিখ) মধ্যে ভারত ছেড়ে পাকিস্তানে চলে যাওয়া মুসলিমদের জমি ও বাড়িগুলি বণ্টন করা হয়।
নাগরিকত্ব দান
আন্তঃডোমিনিয়ন সাম্মলন
দিল্লি চুক্তি
📚 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্টদের জন্য দারুণ সুযোগ!
আপনি কি কম সময়ে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করতে চান?
পরীক্ষার আগে রিভিশন করতে সমস্যা হচ্ছে?
👉 তাহলে এখনই নিয়ে নিন আমাদের Complete PDF eBook Package
✨ এই eBook-এ যা পাচ্ছেন:
✔ সহজ ভাষায় পুরো সিলেবাস
✔ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
✔ পরীক্ষার জন্য সাজানো নোটস
✔ শর্ট টেকনিক ও সাজেশন
🎯 কার জন্য উপযোগী?
👉 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রী
👉 বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা
💡 মোবাইলেই পড়ুন, যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়!
🔥 মাত্র ২৫ টাকা প্রতিটা সাবজেক্ট
