জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর মাধ্যমিক । Gyancokkhu Golper Question Answer Class 10

Table of Contents

জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর মাধ্যমিক । Madhyamik Bengali Gyancokkhu Golper Question Answer

জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর

১। “রত্নের মূল্য জহুরির কাছে।”— কথাটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উদ্ধৃতিটি আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প থেকে গৃহীত। মূল্যবান রত্ন বিশেষকে জহুরি বলা হয়। এক্ষেত্রে জহুরি বলতে নতুন মেসোকে বোঝানো হয়েছে। লেখক মেসোকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তপন একটা আস্ত গল্প লিখে মাসিকে দেখায়। মাসি তা নিয়ে সারা বাড়িতে শোরগোল বাধিয়ে মেসোকে দেখাতে যান। তপন ব্যাপারটায় আপত্তি তুললেও মনে মনে পুলকিত হয় এই ভেবে যে তার লেখার মূল্য একমাত্র কেউ যদি বোঝে তবে ছোটোমেসোই বুঝবে, কেননা জহুরির জহর চেনার মতই একজন লেখকই পারে কোনো লেখার মূল্যায়ন করতে।

২। “তপন কৃতার্থ হয়ে বসে বসে দিন গোনে”—তপন কৃতার্থ হয়েছিল কেন?
অথবা, “তপন কৃতার্থ হয়ে বসে বসে দিন গোনে”—তপন কৃতার্থ হয়ে বসে বসে দিন গুনছিল কেন?

আশাপূর্ণা দেবী রচিত জ্ঞানচক্ষু গল্পে তপন নতুন লেখক মেসোকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে একটা গল্প লেখে। তার ছোটোমাসি সেই গল্পটি তপনের লেখক মেসোকে দেখান ও গল্পটি চাপিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। এ কথা শুনে তপনের মেসো সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় গল্পটি চাপিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করে নিয়ে যান। এতে তপন কৃতার্থ হয়েছিল। সেই সঙ্গে তার নিজের লেখা নতুন গল্প প্রকাশের আশায় দুরুদুরু বুকে দিন গোনা শুরু করছিল। তাই বলা হয়েছে—তপন কৃতার্থ হয়ে বসে বসে দিন গোনে।

৩। “এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের”— কোন বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের?

আশাপূর্ণা দেবী রচিত জ্ঞানচক্ষু গল্পে তপন লেখকদের এক অন্য জগতের বাসিন্দা বলে মনে করত। তারাও যে আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই রোজকার জীবন যাপন করেন, তা ছিল তপনের কল্পনার বাইরে। সে আগে কোনদিন কোন লেখককে কাছ থেকে দেখেনি। এমনকি লেখকদের যে দেখা পাওয়া যায় একথাও তার জানা ছিল না। তাই লেখকরা যে তার বাবা, কাকা, মামাদের মতোই সাধারণ মানুষ এ ব্যাপারে তার সন্দেহ ছিল।

৪। “শুধু এই দুখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন”—তপনের দুঃখের মুহূর্তটা কী? তপন কী সংকল্প করেছিল?

আশাপূর্ণা দেবীর রচিত ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তটি এক পলকে দুঃখের মুহূর্তে পর্যবসিত হয়। তার লেখা গল্পটি পড়তে গিয়ে সে টের পায়, তার লেখক-মেসো গল্পটিকে সংশোধনের নামে প্রায় সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন। নিজের লেখা গল্পে অন্যের লেখা পড়তে গিয়ে সে দুঃখ পেয়েছিল।

এই ঘটনায় তপন সংকল্প করেছিল যে, যদি কোনোদিন সে কোনো লেখা ছাপাতে দেয়, তবে নিজে গিয়ে ছাপাতে দেবে। ছাপা হোক বা না হোক অন্তত এ কথা শুনতে হবে না যে, কেউ তার লেখা প্রভাব খাটিয়ে ছাপিয়ে দিয়েছে।

৫। “গল্প ছাপা হলে যে ভয়ংকর আহ্লাদটা হবার কথা, সে আহ্লাদ খুঁজে পায়না পায় না”— কে সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না এবং কেনো?

আশাপূর্ণা দেবী রচিত ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পের নায়ক তপন সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না।

তপন তার নতুন লেখকের মেসোকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজে আস্তো একটা গল্প লিখে ফেলে। এরপর ছোটোমেসো গল্পটা ছাপাতে নিয়ে চলে যায়। কিছুদিন পর নতুন মেসো ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকা নিয়ে এলে সূচিপত্রে নিজের নাম ছাপার অক্ষরে দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় তপন। তপনের নতুন মেসো জানায় তিনি নিজে গিয়ে ছাপাতে না দিলে সন্ধ্যাতারার সম্পাদক তপনের গল্প কড়ে আঙুল দিয়েও ছুঁতো না। এই কথার মধ্যে তপন যেন কোথায় হারিয়ে যায়। গল্প ছাপা হলে যে ভয়ঙ্কর আহ্লাদটা হওয়ার কথা, সেই আহ্লাদটা সে খুঁজে পায়না।

৬। “আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন”—কার কথা বলা হয়েছে? ‘আজ’ কী কারণে বক্তার কাছে সবচেয়ে দুঃখের দিন? ১+২

এখানে ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পের প্রধান চরিত্র তপনের কথা বলা হয়েছে।

মেসোমশাইকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তপন একটি গল্প লিখে ফেলে। এরপর মাসির প্রশ্রয়ে ও প্ররোচনায় লেখক নতুন মেসো সেই গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপিয়ে দেন। কিন্তু পত্রিকা প্রকাশ হওয়ার পর সে দেখে পুরো গল্পটাই মেসো আগাগোড়া নতুন করে লিখে দিয়েছেন। এ গল্পে শুধু তার নামটুকুই আছে; অথচ সে কোথাও নেই। এই ঘটনা তপনের অন্তর্মনে আঘাত করে। লজ্জায়, অনুতাপে, আত্মসম্মানহীনতায় সে সকলের কাছ থেকে পালিয়ে ছাতের অন্ধকারে একলা দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেলে। নিজের কাছে নিজেই এভাবে ছোটো হয়ে যাওয়ায় তার মনে হয়, ‘আজ’ জীবনে সবচেয়ে দুঃখের দিন।

৭। ‘পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে’—কোন ঘটনাকে অলৌকিক বলা হয়েছে এবং কেনো? ১+২

আশাপূর্ণা দেবী রচিত গল্পে তপনের লেখা গল্পটি ছাপানোর পর যে সকলের হাতে হাতে ঘুরবে সেই ঘটনাকে অলৌকিক বলা হয়েছে।

মেসোমশাইকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তপন একটা গল্প লিখে ফেলে। সেই গল্পটি মাসির প্ররোচনায় ও মেসোর প্রভাবে সত্যিই একদিন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ছোট্ট তপনের কাছে তার গল্প ছাপার অক্ষরে প্রকাশ পাওয়ার ঘটনা ছিল স্বপ্নের মতোই কাল্পনিক। তাই এই ঘটনাটিকে অলৌকিক বলা হয়েছে।

৮। “সত্যিই তপনের জীবনে সবচেয়ে দুঃখের দিনটি এল আজ”— তপনের জীবনে সুখের দিনটি কীভাবে এল? গল্পের শেষে সুখের দিনটি কীভাবে দুঃখের দিন হয়ে উঠল?

লেখক মেসোমশাইয়ের সৌজন্যে ও বদান্যতায় ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় তপনের গল্পটি প্রকাশিত হয়। ছাপার অক্ষরে তপনকুমার রায়ের গল্প প্রকাশ পাওয়ার এই দিনটি প্রাথমিকভাবে তার জীবনে সবচেয়ে সুখের দিন হয়ে উঠেছিল।

৯। ‘এমন সময় ঘটল সেই ঘটনা।’-কোন্ ঘটনার কথা বলা হয়েছে?

আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র তপনের ইচ্ছে ছিল লেখক হওয়ার। গরমের ছুটিতে মামার বাড়িতে এসে নতুন মেসোকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে সে একটি আস্ত গল্পও লিখে ফেলে; যেটি তার মাসির হাত ঘুরে মেসোর হাতে গিয়ে পড়ে। মাসির পীড়াপীড়িতে সামান্য কারেকশন করে সেই গল্প ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপানোর আশ্বাস দেন নতুন মেসো। বাড়িতেও সে নিয়ে আনন্দের শেষ থাকে না। অনেকদিনের ইচ্ছে হয়তো এবার পূরণ হতে চলেছে, এ ভেবেই একটু সংশয়কে বুকে করে মামার বাড়ি থেকে তপন নিজের বাড়িতে ফিরে আসে।

যখন সে ছাপার অক্ষরে নিজের লেখা গল্প দেখতে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়ে বিষণ্ণ মন নিয়ে বাড়িতে বসে আছে, তখন ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার একটা সংখ্যা নিয়ে তাদের বাড়িতে আসে ছোটোমাসি ও মেসো। তপনের স্বপ্ন সত্যি হয়। ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় শ্রীতপন কুমার রায়-এর ‘প্রথম দিন’ গল্প প্রকাশিত হয়। প্রশ্নোদ্ভূত অংশে সেই ঘটনার কথাই বলা হয়েছে।

১ নম্বরের প্রশ্ন উত্তর

১। ‘কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল!’-কোন্ কথা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল?

লেখকরা ভিন্ন জগতের প্রাণী-এটিই ছিল তপনের ধারণা। কিন্তু তার নতুন মেসোমশাই একজন লেখক শুনে বিস্ময়ে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।

২। নতুন মেসোকে দেখে জানল সেটা।- কী জানল?

লেখকেরা যে অন্য গ্রহ থেকে পড়া কোনো জীব নয়, আরা পাঁচজনের মতোই নিছক সাধারণ মানুষ; নতুন মেসোকে দেখে তপন এ কথাই জেনেছিল।

৩। তপন মামার বাড়িতে কেন এসেছিল?

তপন তার ছোটোমাসির বিয়ে উপলক্ষ্যে মামার বাড়িতে এসেছিল।

৪। এবিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের।’-কোন্ বিষয়ে?

লেখকদের যে বাস্তব জীবনে কখনও দেখা যেতে পারে, তাঁরাও – যে তপনের বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকার মতোই সাধারণ মানুষ-সে-বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল।

৫। ‘রত্নের মূল্য জহুরির কাছেই।’- কথাটির অর্থ কী?

একজন গুণী ব্যক্তিই অন্য একজনের গুণের কদর করতে পারেন। তাই তপনের লেখা গল্পের প্রকৃত রসাস্বাদন করার যদি কেউ থাকেন তবে তিনি তার লেখক-মেসোমশাই।

৬। মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে সেটা।-কোন্টা মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে?

তপনের ছোটোমাসির মতে, তপনের লেখা গল্পটা ছোটোমেসো যদি একটু কারেকশন করে ছাপানোর ব্যবস্থা করে দেন, তবে সেটাই মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে।

৭। এটা খুব ভালো, ওর হবে।-কে, কোন্ প্রসঙ্গে এ কথা বলেছেন?

তপন তার প্রথম স্কুলে ভরতির দিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি গল্প লিখেছিল। মাসির মাধ্যমে লেখাটি তার লেখক-মেসোর কাছে পৌঁছোলে সেটি পড়ে মেসো এমন মন্তব্য করেছেন।

৮। গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তপনের’-তপনের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল কেন?

হোমটাস্কের খাতায় একাসনে বসে তপন আস্ত একটা গল্প লিখে ফেলে, নিজের লেখা সেই গল্প পাঠ করে তার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল।

৯। ‘তপনের হাত আছে।’ -এমন বলা হয়েছে কেন?

তপন তার বয়সি ছেলেমেয়েদের গল্প লেখার ধরন অর্থাৎ রাজারানির গল্প, খুন-জখম অ্যাকসিডেন্ট, না-খেতে পেয়ে মরে যাওয়া ইত্যাদি বিষয় থেকে সরে এসে শুধু তার স্কুলে ভরতি হওয়ার দিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে গল্প লিখলে তার লেখক-মেসো উদ্ধৃত কথাটি বলেছেন।

১০। ‘বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের।’ -কেন তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে?

গল্প ছাপানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘদিন অদৃশ্য থাকার পর হঠাৎই একদিন ছোটোমাসি ও মেসো ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকা হাতে নিয়ে তপনদের বাড়িতে আসে। তাতে তার গল্প ছাপার কথা ভেবে তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে।

১১। পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে?’- কোন্ ঘটনা?

পত্রিকায় তপনকুমার রায়ের লেখা গল্প ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হওয়া এবং সেই পত্রিকা বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার ঘটনাকেই ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে অলৌকিক ঘটনা বলা হয়েছে।

১২। ‘বাবা, তোর পেটে পেটে এত!’-কে, কোন্ প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?

‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্প ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর বাড়িময় শোরগোল পড়ে যায়। তখন তপনের মা এই কথাটি তপনের সুপ্ত প্রতিভা সম্পর্কে বলেন।

১৩। ‘ক্রমশ ও কথাটাও ছড়িয়ে পড়ে।’- ক্রমশ কোন্ কথা ছড়িয়ে পড়ে?

‘সন্ধ্যাতারা’-য় তপনের গল্প প্রকাশকে কেন্দ্র করে বাড়িতে শোরগোল পড়লেও পরে জানা যায় যে, তার লেখাটি মেসো কারেকশন করে ছাপানোর ব্যবস্থা করেছেন-এই কথাটিই ছড়িয়ে পড়ে।

১৪। ‘সূচিপত্রেও নাম রয়েছে’- সূচিপত্রে কী লেখা ছিল?

আশাপূর্ণা দেবী রচিত ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে ছোটোমাসি ও মেসো তপনদের বাড়িতে হাতে করে আনে সন্ধ্যাতারা পত্রিকার একটি সংখ্যা। যেখানে সূচিপত্রে ছাপার অক্ষরে লেখা ছিল, প্রথম দিন (গল্প) শ্রী তপনকুমার রায়।

১৫। ‘তপন আর পড়তে পারে না।’- তপনের পড়তে না-পারার কারণ কী?

নিজের লেখা গল্প পত্রিকায় ছেপে বেরোনোর পর পড়তে গিয়ে তপন দেখে কারেকশনের নাম করে ছোটো মেসোমশাই তার লেখাটা পুরোটাই পালটে দিয়েছেন। লেখার মধ্যে নিজেকে না-খুঁজে পেয়ে তপন আর পড়তে পারে না।

১৬।’বোবার মতো বসে থাকে।’-কে, কেন বোবার মতো বসে থাকে?

নিজের লেখা গল্প ছেপে বেরোনোর পর পড়তে গিয়ে তপন দেখে কারেকশনের নাম করে মেসো লেখাটা আগাগোড়াই বদলে দিয়েছেন। তাই – স্তম্ভিত তপন তা দেখে বোবার মতো বসে থাকে।

১৭। গল্প ছাপা হলে যে ভয়ংকর আহ্লাদটা হবার কথা, সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না।’- উদ্দিষ্ট ব্যক্তির আহ্লাদিত হতেনা-পারার কারণ কী?

নিজের লেখা ছেপে বেরোলে যে-তীব্র আনন্দ হওয়ার কথা সেই আহ্লাদ খুঁজে পায় না তপন। তার কৃতিত্বের চেয়েও যেন বড়ো হয়ে ওঠে ছোটোমেসোর গল্প ছাপিয়ে দেওয়ার কৃতিত্ব।

১৮। তপন বইটা ফেলে রেখে চলে যায়,- তপনের বই ফেলে রেখে যাওয়ার কারণ কী?

পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হওয়ায় তপনের যে-আনন্দ হয়েছিল তা মুহূর্তেই স্তিমিত হয়ে যায়। কারেকশনের নামে তার লেখাটা আগাগোড়াই বদলে গেছে। তাই অভিমানে তপন বই ফেলে চলে যায়।

১৯। ‘আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন।’- বক্তার কোন্ দিনটি সবচেয়ে দুঃখের?

জীবনের প্রথম লেখা গল্প ছেপে বেরোনোর পর তপন দেখে কারেকশনের নামে নতুন মেসো পুরো গল্পটাই বদলে দিয়েছেন। গল্পের স্বকীয়তা হারানোয় ব্যথিত তপনের সেই দিনটা সবচেয়ে দুঃখের মনে হয়েছে।

২০। ‘শুধু এই দুঃখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন,’ -সংকল্পটি কী?

তপন সংকল্প করেছিল, ভবিষ্যতে যদি কখনও তার কোনো লেখা ছাপাতে হয়, তবে সে নিজের হাতে সেই লেখা পৌঁছে দিয়ে আসবে পত্রিকার অফিসে।

Read More : Madhyamik Suggestion 2025-2026

Leave a Comment